1. admin@dainiksomayersangbadbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ চাইলেন সম্পাদকেরা বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক বার্তা হস্তান্তর সচিবালয় ও যমুনাসহ আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঢাকা-১০: শেখ রবিউল আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথ বাহিনীর অভিযান নতুন বছরে জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: প্রধান উপদেষ্টা দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। মির্জাপুর ঝর্ণা একাব্বর হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ

সারা দেশে পুলিশের সব ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯১ Time View
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এমন অবস্থায় আরো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে। তাই পুলিশের সব ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

 

জানা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে কেপিআই স্থাপনায় বাড়তি নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়। মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার মৌখিক নির্দেশনা পেয়েছেন। চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্দেশনার পর অনেক জায়গায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করা হচ্ছে।

 

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন লাগার পর মৌখিক নির্দেশে কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত টহল ও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। জেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সারা বছরই নিরাপত্তা জোরদারে নির্দেশনা থাকে। কেপিআই এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।

 

দেশের ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন’ বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহকে সংক্ষেপে কেপিআই বলা হয়। বর্তমানে সারাদেশে বঙ্গভবন, গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ, বিমানবন্দর, সচিবালয়, বিটিভি, কারাগার এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মোট ৫৮৭টি কেপিআই রয়েছে। এগুলোর নিরাপত্তা কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য সরকারের একটি শক্তিশালী নীতিমালা কমিটি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।  রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।  গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।  সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।  নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।  রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।  গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।  সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।  নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

 dainiksomayersangbadbangla.com news media of ds shangbad ltd |  ডি এস সংবাদ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান © All rights reserved © 2025

Theme Customized BY NewsFresh.Com