1. admin@dainiksomayersangbadbangla.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ চাইলেন সম্পাদকেরা বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক বার্তা হস্তান্তর সচিবালয় ও যমুনাসহ আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঢাকা-১০: শেখ রবিউল আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথ বাহিনীর অভিযান নতুন বছরে জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: প্রধান উপদেষ্টা দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। মির্জাপুর ঝর্ণা একাব্বর হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ

ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২ Time View

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন।

আজ শনিবার সকাল ১১টার পরে তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদির কবরে পৌঁছান।

তারেক রহমান এ সময় ওসমান হাদির কবরে ফুল দেন এবং ফাতিহা পাঠ ও হাদিসহ জুলাইয়ের সকল শহীদের জন্যে দুহাত তুলে আল্লাহ’র দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন। পাশাপাশি তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

হাদির কবর জিয়ারতের সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ,  সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সিনিয়র নেতাকর্মীরা।

এছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আমহেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানসহ আরো অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে  গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

আজ আগের দুই দিনের মতো লালসবুজ রঙে সাজানো বাস ব্যবহার না করে সাদা রঙের একটি গাড়িতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তারেক রহমান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। টিএসসি থেকে হাদির কবর পর্যন্ত দুই স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়। শাহবাগের দিকেও পুলিশের ব্যারিকেড ও নজরদারি ছিল।

এর আগে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান করেন।

কবর জিয়ারত শেষে ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সেখান থেকে ধানমন্ডিতে মাহবুব ভবনে যাবেন তিনি।

ধানমন্ডির মাহবুব ভবনে কিছু সময় থাকার পর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে যাবেন তারেক রহমান।

বিএনপির মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জুলাই গণুঅভ্যুত্থানের কোনো আহত ব্যক্তি বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘিরে ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশে সারা দেশ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।  রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।  গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।  সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।  নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।  রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।  নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।  গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।  সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।  নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

 dainiksomayersangbadbangla.com news media of ds shangbad ltd |  ডি এস সংবাদ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান © All rights reserved © 2025

Theme Customized BY NewsFresh.Com